🌾 দেশি ওটসের সম্ভাব্য উপকারিতা
কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সহায়ক: ওটসে ভালো পরিমাণে খাদ্যআঁশ থাকে।
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়তা: বিশেষ করে বিটা-গ্লুকান নামের দ্রবণীয় আঁশ LDL কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করতে পারে।
দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে: আঁশ ও জটিল কার্বোহাইড্রেট থাকায় ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক: সম্পূর্ণ/কম প্রক্রিয়াজাত ওটস তুলনামূলক ধীরে হজম হয়।
হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী: আঁশ, খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের কারণে স্বাস্থ্যকর খাদ্যতালিকার অংশ হতে পারে।
প্রোটিন ও বিভিন্ন খনিজ সরবরাহ করে: এতে ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ ও আয়রনসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
🥣 কীভাবে খাবেন?
সকালের নাশতায় দুধ/দইয়ের সঙ্গে রান্না করে, অথবা কলা, আপেল, বাদাম ও বীজ মিশিয়ে খেতে পারেন। চিনি বেশি দেওয়া ফ্লেভারড ওটসের পরিবর্তে plain oats নেওয়া ভালো।
টিপস: ওটসের সঙ্গে তিসি, সাদা তিল, কুমড়ার বীজ বা বাদাম যোগ করলে নাশতাটি আরও পুষ্টিকর হতে পারে।


Reviews
There are no reviews yet.